মেনু নির্বাচন করুন

সম্প্রতি কর্মকান্ড

এ দপ্তরের অর্জন ও পরিবেশ সুরক্ষায় গৃহীত কার্যক্রমসমূহঃ
কার্যকালঃ জানুয়ারি/২০২০খ্রিঃ হতে মার্চ/২০২১খ্রিঃ পর্যন্ত।

 

  • জনস্বার্থে অবাধ ও উন্মুক্ত তথ্য ব্যবস্থা প্রচলন ও সেবা সহজীকরণের উদ্দেশ্যে পরিবেশগত ছাড়পত্রের আবেদন অনলাইনে গ্রহণ ও সিস্টেম জেনারেটেড ছাড়পত্র ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।
  • পরিবেশ সংরক্ষণের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক গৃহীত নীতিমালা ও কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন।
  • বরিশাল মহানগরীর নতুন বাজারে স্থাপিত সার্বক্ষণিক বায়ুমান পরিবীক্ষন ও মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক দিকনির্দেশনা প্রদান করা হচ্ছে।
  • মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশনা মোতাবেক একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক ও পলিথিন দূষণের ভয়াবহতা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য নিয়মিত প্রচারপত্র ও সভা/সেমিনার আয়োজন চলমান রয়েছে।
  • শিল্প-প্রতিষ্ঠানের দূষণ জরীপ, দূষণকারী প্রতিষ্ঠান চিহ্নিতকরণসহ দূষণ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন এবং বিধি লংঘনকারী ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
  • বিভিন্ন শিল্প-কারখানার অনুকূলে পরিবেশগত ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করাসহ ৩৪৪টি শিল্প-প্রতিষ্ঠানকে অবস্থানগত ছাড়পত্র/পরিবেশগত ছাড়পত্র প্রদান এবং ৪৭২টি পরিবেশগত ছাড়পত্র নবায়ন প্রদান করা হয়েছে।
  • অবৈধভাবে পরিচালিত ১০১টি ইটভাটার বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকরে মোট ৭৪,৩০,০০০/-(চুয়াত্তর লক্ষ ত্রিশ হাজার) টাকা জরিমানা আদায় এবং ১৮জন অপরাধীকে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম করাদন্ড প্রদান করা হয়েছে।
  • সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিনের বিরুদ্ধে ১৫টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে মোট ১১,০৪৬ কেজি পলিথিন জব্দ এবং মোট ৪,৩৯,০০০/-(চার লক্ষ ঊনচল্লিশ হাজার) টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এছাড়াও টাস্কফোর্স গঠনের মাধ্যমে অবৈধ পলিথিন ব্যবহারের বিরুদ্ধে নিয়মিত বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে এবং অবৈধ পলিথিন ব্যবহার ও বিপণন বন্ধে জনগণকে বিভিন্নভাবে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।
  • প্রতিমাসের দ্বিতীয় বৃহস্পতিবার গণশুনানী গ্রহণের মাধ্যমে জনসাধারণের সমস্যাসমূহ নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।
  • দুষণ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে নিয়মিত শিল্প-প্রতিষ্ঠান/প্রকল্প পরিদর্শন ও পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে। এছাড়াও, পরিবেশ দূষণ সংক্রান্ত প্রাপ্ত অভিযোগ গুরুত্বের সাথে সরেজমিন পরিদর্শন করা হচ্ছে। পরিদর্শনে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে দূষণ নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ/প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ/অন্যত্র স্থানান্তরের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
  •  বিভিন্ন শিল্প-প্রতিষ্ঠান/হোটেল-রেস্তোরাঁর তরল/বায়বীয় বর্জ্যরে নমুনা বিশ্লেষণ ফি বাবদ মোট ২,৬০,৪৫০/-(দুই লক্ষ ষাট হাজার চারশত পঞ্চাশ) টাকা রাজস্ব আদায় করা হয়েছে।
  • পরিবেশগত ছাড়পত্র ও নবায়ন ফি বাবদ মোট ৯১,৫৪,১২২/-(একানব্বই লক্ষ চুয়ান্ন হাজার একশত বাইশ) টাকা রাজস্ব আদায় করা হয়েছে।
  • সরকারের ইনোভেশন প্রকল্পের আওতায় এ দপ্তরে হেল্প ডেক্স চালুর মাধ্যমে জনগণকে তাৎক্ষণিক সেবা প্রদান করা হচ্ছে।
  • শব্দদূষণ, বায়ুদূষণ, জলাধার ভরাট, পলিথিন ব্যবহার, পরিবেশবান্ধব শিল্প-প্রতিষ্ঠান প্রভৃতি বিষয়ে সর্বশ্রেণির জনগণকে সচেতন করার লক্ষ্যে এ দপ্তর হতে ০৫ (পাঁচ) ধরণের লিফলেট বিতরণ করা হচ্ছে। এছাড়াও পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়নে ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে এ দপ্তর কর্তৃক নিয়মিতভাবে বিশ্ব পরিবেশ দিবসসহ বিভিন্ন সভা-সেমিনার আয়োজন করা হচ্ছে।
  • নদীর পানি, নলকুপের পানি, পুকুর/দীঘির পানি, শিল্প প্রতিষ্ঠানের তরলবর্জ্য এবং হোটেল/রেস্তোরাঁর খাবার পানির নমুনা সংগ্রহপূর্বক এ দপ্তরের গবেষণাগারে কলিফর্ম ব্যাকটেরিয়া/জীবানুগতমানসহ বিভিন্ন প্যারামিটার পরীক্ষা করা হয় এবং যেসব প্রতিষ্ঠানের খাবার পানিতে ব্যাকটেরিয়া/জীবানু পাওয়া যায় সেসব প্রতিষ্ঠানকে জীবানুমুক্ত পানি সরবরাহ করার জন্য পরামর্শসহ নোটিশ প্রদান করা হয় এবং আইন অমান্যকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।